রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে টানা তিন দিন ধরে আগুন সন্ত্রাস ও ককটেল হামলায় জনমনে ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক। গাজীপুর, ময়মনসিংহ, মিরপুর, রমনা, ধোলাইপাড় ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুর্বৃত্তরা একের পর এক বাস ও প্রতিষ্ঠানে আগুন দিয়েছে। ময়মনসিংহে ঘুমন্ত চালক অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গেছেন।
টিএসসিতে ককটেল বিস্ফোরণে একজন আহত হন, আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে শিক্ষার্থী-সাধারণের মধ্যে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিক থেকে ছোড়া হয় বোমাগুলো।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঘোষিত ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সহিংসতা ছড়ানোর চেষ্টা করছে দলটির নেতাকর্মীরা। ইতিমধ্যে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার গাজীপুরে তিন বাসে, ধোলাইপাড়ে এক বাসে এবং মিরপুরে শতাব্দী পরিবহনের বাসে যাত্রীবেশে উঠে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। রমনায় পুলিশের গাড়িতে আগুন লাগলেও তা যান্ত্রিক ত্রুটি বলে জানায় পুলিশ।
ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ বলছেন—সহিংসতা অব্যাহত থাকলে দেশের স্থিতিশীলতা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও জীবন-জীবিকা হুমকিতে পড়বে। তারা দ্রুত দোষীদের শনাক্ত ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, রাজধানী ও সারাদেশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চলছে বিশেষ অভিযান।












