শুক্রবার সকালে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে সারা দেশ কেঁপে ওঠার পর বিশেষজ্ঞরা সতর্ক আঙুল তুলছেন—বাংলাদেশ এখন বড় বিপর্যয়ের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে। ঢাকার পাশেই নরসিংদীর মাধবদীতে উৎপত্তি হওয়া এই কম্পনে ১০ জনের মৃত্যু এবং শতাধিক মানুষ আহত হয়েছে।
মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ববিদ অধ্যাপক আব্দুর রব মনে করেন, দেশের টেকটোনিক অবস্থান এমন যে ৭ থেকে ৮ মাত্রার ভূমিকম্প যেকোনো সময় আঘাত হানতে পারে। ১৮৯৭, ১৮৮৫ ও ১৯১৮ সালের ঐতিহাসিক ভূমিকম্পগুলো প্রমাণ করে এ অঞ্চলে বড় কম্পন স্বাভাবিক ঘটনা। দীর্ঘদিন ধরে প্লেট সীমানায় শক্তি জমে থাকায় ঝুঁকি আরও বেড়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ছোট ও মাঝারি মাত্রার সাম্প্রতিক কম্পনগুলো বড় ভূমিকম্পের পূর্বাভাস। ঢাকার ৩৫ শতাংশ ভবন ঝুঁকিপূর্ণ, বড় ধাক্কা লাগলে লাখো মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। অপরিকল্পিত নগরায়ন, বিল্ডিং কোড উপেক্ষা এবং গ্যাস-বিদ্যুতের বিপজ্জনক লাইন বিপর্যয় কয়েকগুণ বাড়াবে।
তাদের মতে, প্রস্তুতি, প্রশিক্ষণ আর নিয়মিত মহড়াই এখন বাঁচার একমাত্র উপায়। দুর্যোগ বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন—সময় খুব বেশি নেই, এখনই সচেতন না হলে ঢাকাই হতে পারে সবচেয়ে বড় মৃত্যুকূপ।














