ট্রাম্পের দেওয়া ২৮ দফা শান্তি প্রস্তাব থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরে গেলেও ইউরোপীয়দের পাল্টা উদ্যোগে কূটনৈতিক চাপ থামেনি। যে চুক্তিই হোক, তা ইউক্রেনের অনুকূলে যাবে না—এ বাস্তবতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে কিয়েভে।
রাশিয়ার দাবি দনবাস পুরোপুরি তাদের দখলে দেওয়া। একই সময়ে জাপোরিঝঝিয়া, পোক্রোভস্ক ও কুপিয়ানস্কে রুশ অগ্রগতি ইউক্রেনকে চাপে ফেলেছে। সেনা–সংকট, অর্থায়ন অনিশ্চয়তা আর দুর্নীতি তদন্তে প্রশাসনও দুর্বল অবস্থায়।
এ অবস্থায় জেলেনস্কির সামনে বেছে নেওয়ার সুযোগ সামান্য—অসুবিধাজনক শান্তিচুক্তি মেনে নেওয়া, না হলে সামর্থ্যের তুলনায় অনেক বড় যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া।













