জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমের ছেলে ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমীকে জেআইসি সেলের ‘আয়নাঘরে’ নয়, বরং এসি–সমৃদ্ধ একটি কক্ষে রাখা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন তার আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু।
তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১ এ গুম ও নির্যাতনসংক্রান্ত মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় তিন সেনা কর্মকর্তার পক্ষে শুনানিতে জানান, ২১/১৭ ফুটের কক্ষে দুই দরজা, পাঁচ জানালা, খাট, টেবিল, আলমারি ছিল এবং একটি এসি চালু ছিল। তাই এটি আয়নাঘর হতে পারে না।
মামলায় গ্রেপ্তার তিন কর্মকর্তা হলেন ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তানভির মাজাহার সিদ্দিকী। দুলু চারটি গ্রাউন্ডে যুক্তি তুলে ধরে বলেন, বেআইনি আটক, অপহরণ, নির্যাতন ও গুম—এসব অভিযোগের অধিকাংশই প্রসিকিউশনের উপস্থাপনায় অসঙ্গত। বিশেষত ঘটনাগুলোর সময় অভিযুক্তদের কেউই ডিজিএফআইয়ে কর্মরত ছিলেন না।
প্রেস ব্রিফিংয়ে দুলু বলেন, আর্মির তদন্ত আদালতের রিপোর্টেও এ তিন কর্মকর্তার সম্পৃক্ততার প্রমাণ নেই। আযমী যে ঘরে আটক ছিলেন তার বর্ণনাও ট্রাইব্যুনালকে দেওয়া হয়েছে। ফলে আয়নাঘরে আটক রাখার অভিযোগ এখানেও দুর্বল হয়ে পড়ে।
মামলায় পলাতক পাঁচ আসামির পক্ষে শুনানি করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত ডিফেন্স আইনজীবী হাসান ইমাম এবং রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে শুনানি করেন আমির হোসেন।















