বাংলাদেশের পাট, সবুজ জ্বালানি, বস্ত্র ও ওষুধশিল্পে বড় ধরনের বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে চীনা বিনিয়োগকারীরা। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উৎপাদন খাত রূপান্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এ আগ্রহ তৈরি হয়েছে। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এক্সিম ব্যাংক অব চায়নার ভাইস প্রেসিডেন্ট ইয়াং দোংনিং জানান, অবকাঠামোর পর এবার তারা সরাসরি উৎপাদন খাতে মনোযোগ দিচ্ছে।
রুফটপ সোলার, বায়োসার ও পাটভিত্তিক প্লাস্টিক বিকল্প উৎপাদনে বড় প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব খাতে এক্সিম ব্যাংক অর্থায়নে প্রস্তুত। তার সঙ্গে থাকা ইনস্টিটিউট অব ফাইন্যান্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটির প্রেসিডেন্ট ড. মা জুন জানান, চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো বছরে ১০ লাখ টন পর্যন্ত পাট ব্যবহার করতে আগ্রহী এবং স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে কাজ করতে চায়।
প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস বলেন, চীনা বিনিয়োগকারীরা চাইলে বাংলাদেশকে উৎপাদনশীল পণ্য রপ্তানির হাবে রূপান্তর করা সম্ভব। তিনি ওষুধ, স্বাস্থ্যসেবা ও সবুজ জ্বালানিকে সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে তুলে ধরেন।
চীনা শিল্প কারখানাগুলোকে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে স্থাপনের আমন্ত্রণ জানিয়ে ইউনূস বলেন, সমুদ্রবন্দর ঘেঁষা এ অঞ্চল চীন ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারে দ্রুত প্রবেশের সুযোগ দেবে। দক্ষিণ চীনের সঙ্গে রেল সংযোগ গড়ে উঠলে রপ্তানি আরও সহজ হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন















