সারা দেশে ভয়াবহ ভূমিকম্পে অন্তত ১০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। রাজধানীর বংশালের কসাইটুলীতে পাঁচতলা ভবনের রেলিং ভেঙে মুহূর্তেই প্রাণ হারান হাজি আব্দুল রহিম, তার কিশোর মেহরাব হোসেন রিমন এবং সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী রাফি। রাফির মা নুসরাত গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন। মুগদার মদিনা বাগেও নির্মাণাধীন ভবনের রেলিং ধসে নিরাপত্তাকর্মী মাকসুদ নিহত হন।
রাজধানীর বাইরে পরিস্থিতি আরও হৃদয়বিদারক। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে টিনশেড বাড়ির দেয়াল চাপায় এক বছরের শিশু ফাতেমার মৃত্যু হয়; আহত হন তার মা ও প্রতিবেশী। নরসিংদীতে ভূমিকম্প শুরু হতেই বাইরে বের হওয়ার চেষ্টা করার সময় সানশেড ভেঙে পড়ে বাবা দেলোয়ার হোসেন উজ্জ্বল ও তার ১০ বছরের সন্তান ওমরের মৃত্যু ঘটে।
এ ছাড়া নরসিংদীর পলাশ, কাজীরচর ও শিবপুরে মাটির দেয়াল ও পুরোনো স্থাপনা ধসে কাজেম আলী ভূঁইয়া (৭৫), নাসির উদ্দিন (৬৫) এবং ফোরকান মিয়াসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। সারা দেশে উদ্ধারকাজ ও ক্ষয়ক্ষতির হিসাব এখনও চলছে।














