১৯৭১ উই রিভোল্ট বলে স্বাধীনতা ঘোষনা। স্বাধীনতার পর ৪ বছর অতিবাহিত, ১৫ ই আগষ্ট ১৯৭৫ জনাব শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকান্ড এবং অতঃপর তারই তৈরী করা আওয়ামীলীগ দ্ধারা ক্ষমতা গ্রহন, খন্দকার মোশতাক কিন্তু বিএনপি ছিল না, ছিলেন আওয়ামীলীগের অত্যান্ত উচ্চ পর্যায়ের নেতা এবং শেখ সাহেবের অতি বিশ্বস্ত।
আসল ৩ রা নভেম্ভর, খালেদ মোশারফের ক্ষমতা দখল করে ( এক্ষেত্রে স্বরন করিয়ে দেই খালেদ মোশারফ কে ফোর্সের কমান্ডার এবং একজন সাহসী মুক্তিযোদ্ধা এবং সেনা অফিসার ছিলেন।জিয়াকে গৃহবন্দী এই খালেদ মোশারফ ই করেছিলেন। জিয়াউর রহমান খুব চেষ্টা করছিলেন উনাকে বাচিয়ে রাখতে নভেম্ভরে খালেদের ব্যার্থ ক্যু এর পরও। তিনি ছিলেন জিয়া, শত্রু যদি সাহসী হত তাকেও যথাযথ যোগ্য মর্যদা দিতেন), এবং ফাইনালি সাধারন সৈন্যরা গৃহবন্দী জিয়াকে উদ্ধার করে তাকে বাধ্য করে বিশৃঙ্খল বাংলাদেশের হাল ধরতে।
দুনিয়ায় কোথাও এ রকম নজীর নেই। এবং এরপর রাজনীতিতে আসতে অনেকটা অনিচ্ছুক জিয়াকে আবারো জনগন বাধ্য করে জনগনকে নেতৃত্ব দিতে। তিনি যেমন সামরিক বাহিনীকে নিরাশ করেননি তেমনি দায়িত্ব নিয়ে জনগনকে জাতীয়তাবাদ বুজাতে দেরী করেন নি।
জিয়া যদি আর পাচ বছর বেচে থাকত জাতি হিসাবে দক্ষিন পূর্ব এশিয়ায় ভারত পাকিস্তানের নাম ও আমাদের নিতে হত না। সামান্য অসতর্কতার খেসারত জিয়া দেন শহীদ হয়ে আর জাতি দেয় অদৃশ্য দাসত্বের শৃঙ্খল পরে। ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জিয়া হেলাল ই জুরাত এবং পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে বীর উত্তম খেতাব লাভ শুধুই আমাকে ভাবতে শিখায় এই মানুষ টাই বাংলাদেশের প্রতীক হবার যোগ্যতা রাখত।

ওনার দেখান রাস্তায় আমাদের হাটতে হবে মুক্তি পেতে হলে। ৭ ই নভেম্ভর নিয়ে শুধু ৭ তারিখ একটা ষ্ট্যাটাস দেবার মাঝে সীমাবদ্ধ রাখলে সে আসলে ৭ ই নভেম্ভরের কোন মাহাত্ম্য ই জানে না। আর বিএনপির এত বড় বিভিন্ন কমিটিও হয়ত ৭ ই নভেম্ভর ই একটা বিবৃতি দেবে। ৭ ই নভেম্ভর জিয়ার মাধ্যমে এদেশের সিপাহী জনতার মুক্তির পথই রচিত হয়েছিল মানুষ কে ভাবতে শিখিয়েছিল বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ।
৭ ই নভেম্বর এর মাহাত্ম যে কত বড় তা আমরা এত দিনেও প্রকাশ করতে পারিনি, এ ব্যার্থতা আমাদের। জাতির সত্যিকারের মুক্তির পথ কিন্তু রচিত হয়েছিল এই ৭ ই নভেম্ভর। দয়া করে জিয়াকে নিয়ে লিখুন প্লীজ। সবাইকে জানান এই মানুষ টার ব্যাপারে। মুক্তি অবশ্য ই আসবে।
সত্য উন্মোচিত হোক।।
মূল পোস্ট লিংকঃ https://www.facebook.com/share/p/16xwck2wyY/













