সকালের নাশতার সময় ল্যাপটপ খুলে অফিসের ই-মেইল চেক করা, দুপুরে সন্তানকে স্কুলে পৌঁছে দেওয়া, বিকেলে কাজের ফাঁকে একটু ঘুরে আসা—তারপর রাতে আবার বসে রিপোর্ট লেখা। কাজের এই নতুন ছন্দই এখন ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘মাইক্রোশিফটিং’।
রিমোট বা হাইব্রিড কাজের পরবর্তী ধাপ হিসেবে ধরা হচ্ছে এই কর্মপদ্ধতিকে। এতে কর্মীরা দিনে একটানা আট ঘণ্টা নয়, বরং কয়েক দফায় নিজেদের সুবিধামতো সময় ভাগ করে কাজ করেন। কেউ সকালে দুই ঘণ্টা, কেউ বিকেলে তিন ঘণ্টা, আবার কেউ রাতে কয়েক ঘণ্টা কাজ শেষ করেন। সময় ব্যবস্থাপনার এই স্বাধীনতাই মাইক্রোশিফটিংয়ের মূল আকর্ষণ।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ওল ল্যাবসের ২০২৫ সালের হাইব্রিড ওয়ার্ক প্রতিবেদন বলছে, বিশ্বজুড়ে ৬৫ শতাংশ অফিসকর্মী এখন সময়সূচিতে আরও স্বাধীনতা চান। অন্যদিকে ডেপুটি নামের প্রতিষ্ঠানের ‘দ্য বিগ শিফট: যুক্তরাষ্ট্র ২০২৫’ জরিপে দেখা গেছে, জ্ঞানভিত্তিক কর্মক্ষেত্রে মাইক্রোশিফটিং দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। বিশেষ করে জেনারেশন জেড কর্মীরা স্বল্প সময়ের শিফট বেছে নিয়ে শিক্ষা, ব্যক্তিজীবন ও প্রযুক্তিনির্ভর কাজের ভারসাম্য বজায় রাখছেন।













